মূলপাঠ
যে বাতাসে বুনোহাঁসের ঝাঁক ভেঙে যায়🔒ব্যাখ্যা
জেটের পাখা দুমড়ে শেষে আছাড় মারে🔒ব্যাখ্যা
নদীর পানি শূন্যে তুলে দেয় ছড়িয়ে
নুইয়ে দেয় টেলিগ্রাফের থামগুলোকে।🔒ব্যাখ্যা
সেই পবনের কাছে আমার এই মিনতি
তিষ্ঠ হাওয়া,
তিষ্ঠ মহাপ্রতাপশালী,
গরিব মাঝির পালের দড়ি ছিঁড়ে কী লাভ?🔒ব্যাখ্যা
কী সুখ বলো গুঁড়িয়ে
দিয়ে চাষির ভিটে?🔒ব্যাখ্যা
বেগুন পাতার বাসা ছিঁড়ে
টুনটুনিদের
উল্টে ফেলে দুঃখী মায়ের
ভাতের হাঁড়ি🔒ব্যাখ্যা
হে দেবতা, বলো তোমার কী আনন্দ,🔒ব্যাখ্যা
কী মজা পাও বাবুই পাখির ঘর উড়িয়ে?
রামায়ণে পড়েছি
যার কীর্তিগাথা
সেই মহাবীর হনুমানের পিতা তুমি ?
কালিদাসের মেঘদূতে যার কথা আছে🔒ব্যাখ্যা
তুমিই নাকি সেই দয়ালু
মেঘের সাথী ?
তবে এমন নিঠুর কেন হলে বাতাস
উড়িয়ে নিলে গরিব চাষির ঘরের খুঁটি
কিন্তু যারা লোক ঠকিয়ে
প্রাসাদ গড়ে🔒ব্যাখ্যা
তাদের কোনো ইট খসাতে পারলে নাতো।
হায়রে কতো সুবিচারের গল্প শুনি,🔒ব্যাখ্যা
তুমিই নাকি বাহন রাজা সোলেমনের
যার তলোয়ার
অত্যাচারীর কাটতো মাথা
অহমিকার অট্টালিকা
গুঁড়িয়ে দিতো।🔒ব্যাখ্যা
কবিদের এক মহান রাজা রবীন্দ্রনাথ🔒ব্যাখ্যা
তোমার কাছে দাঁড়িয়েছিলেন করজোড়ে
যা পুরানো
শুষ্ক মরা, অদরকারি
কালবোশেখের একটি ফুঁয়ে উড়িয়ে
দিতে।🔒ব্যাখ্যা
ধ্বংস যদি করবে তবে, শোনো তুফান
ধ্বংস করো বিভেদকারী পরগাছাদের
পরের শ্রমে গড়ছে যারা মস্ত দালান🔒ব্যাখ্যা
বাড়তি তাদের বাহাদুরি গুঁড়িয়ে ফেলো।