নাম : ফররুখ আহমদ। জন্ম ও পরিচয় জন্ম তারিখ : ১৬ই জুন, ১৯১৮ সাল। জন্মস্থান : মাঝআইল, মাগুরা । পিতা :খান সাবের সৈয়দ হাতেম আলী। শিক্ষাজীবন মাধ্যমিক : খুলনা জিলা স্কুল। উচ্চমাধ্যমিক : রিপন কলেজ, কলকাতা। স্নাতক : কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজে দর্শনে অনার্স ওইংরেজিতে অনার্সের ছাত্র ছিলেন। কর্মজীবনস্টাফ রাইটার : ঢাকা বেতার কেন্দ্র।
সাহিত্যকর্ম কাব্যগ্রন্থ : সাত সাগরের মাঝি, সিরাজাম্ মুনীরা, মুহূর্তের কবিতা, হাতেমতায়ী; হে বন্য স্বপ্নেরা ইত্যাদি। কাব্যনাট্য : নৌফেল ও হাতেম। শিশুতোষ গ্রন্থ : পাখির বাসা, হরফের ছড়া, হাবেদা মরুর কাহিনী, ছড়ার আসর, নতুন লেখা ইত্যাদি। খেতাব ও সম্মাননা : বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, আদমজী পুরস্কার, ইউনেস্কো পুরস্কার, একুশে পদক প্রভৃতি। জীবনাবসান :১৯শে অক্টোবর, ১৯৭৪ সাল।
উত্তর : বৃষ্টির দিনে মন বহু পথপ্রান্তর পাড়ি দিতে চায়।
উত্তর :
: রগ ওঠা হাতের মতন' বলতে কবি দীর্ঘ বর্ষণহীন দিনে মাঠঘাট শুকিয়ে রুক্ষমূর্তি ধারণ করাকে বুঝিয়েছেন।'বৃষ্টি' কবিতায় কবি বৃষ্টিহীন অবস্থায় প্রকৃতির রুক্ষতা এবং বৃষ্টির ফলে সেই রুক্ষতা মোচনের বর্ণনা দিয়েছেন। বৃষ্টির অভাবে প্রকৃতিতে যে বিষণ্ণতা ও রুক্ষতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে তাকে তিনি রুণ- বৃদ্ধ ভিখারির রগ-ওঠা হাতের সঙ্গে তুলনা করেছেন। এতে বৃষ্টির এ অভাবে প্রকৃতির নির্জীব, নিষ্প্রাণ দিকটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আর বৃষ্টি কীভাবে প্রকৃতির এই দীনতা দূর করে, তৃষ্ণাকাতর মাঠ-ঘাট ও বনে প্রাণের জোয়ার এনে দেয় তা ফুটে উঠেছে। মূলত বৃষ্টিহীন প্রকৃতির রুক্ষতার গভীরতা বোঝাতেই কবি আলোচ্য উক্তিটি করেছেন।
উত্তর : বর্ষায় মানবমন বিষণ্ণ হয়ে পড়ে, কারণ বর্ষার বৃষ্টির দিন মানুষের মনে অতীতের সুখ-দুঃখের কথা মনে করিয়ে দেয়। বর্ষার আগমনে মানবমনে এক অনির্বচনীয় অনুভূতির জন্ম হয়। সংবেদনশীল হয়ে ওঠে মানুষের মন। মানুষের মনে পড়ে যায় পুরনো সুখ-দুঃখের স্মৃতি। একাকী মানুষের মনকে বিষণ্ণ করে তোলে। প্রিয়জনের বিরহে মন ব্যাকুল হয়। বৃষ্টির দিনে ঘরের বাইরে মানুষের কাজ থাকে না। থাকে অখ- অবসর। এই অবসরে মানুষ তার প্রিয় মানুষ এবং হারানো দিনের কথা মনে করে বেদনায় বিষণ্ন হয়ে পড়ে।
উত্তর : “রগ ওঠা হাতের মতন' বলতে কবি দীর্ঘ বর্ষণহীন দিনে মাঠঘাট শুকিয়ে রুক্ষমূর্তি ধারণ করাকে বুঝিয়েছেন ।'বৃষ্টি' কবিতায় কবি বৃষ্টিহীন অবস্থায় প্রকৃতির রুক্ষতা এবং বৃষ্টির ফলে সেই রুক্ষতা মোচনের বর্ণনা দিয়েছেন। বৃষ্টির অভাবে প্রকৃতিতে যে বিষণ্ণতা ও রুক্ষতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে তাকে তিনি রুগ্ণ- বৃদ্ধ ভিখারির রগ-ওঠা হাতের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
উত্তর :
বর্ষার সময় নদীর দু পাশে প্লাবন দেখা দেয়।বর্ষার আগমনে প্রকৃতি নব সাজে সাজার স্পন্দন পায়। আর বৃষ্টিই সেই নব স্পন্দনের সাহায্যকারী হিসেবে ভূমিকা রাখে। বর্ষার সময় নদী-নালা, খাল-বিল পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। আর এ সময় নদীর দু ধারে প্লাবন দেখা দেয়।
উত্তর : বর্ষার সময় প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে গাছপালায় নতুন পাতার সমাহার দেখা যায়। বর্ষার আবির্ভাবে প্রকৃতি যেমন নতুন প্রাণের স্পর্শ পায়, তেমনি প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদান নতুন করে সাজতে চায়। আর বর্ষার কারণে প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদান নবরূপ পায়। বনের গাছপালায় নতুন পাতা আসে। এজন্য দিকদিগন্তের পথে অপরূপ আভা দেখা যায়।
উত্তর : বর্ষার সময় অরণ্যের ফুল ফুটে সর্বত্র অপরূপ ধারণ করে। বর্ষা যেমন প্রকৃতিতে নতুন প্রাণের প্রেরণা দেয়, তেমনি প্রকৃতির উপাদানে নবরূপ দেয়। কেননা বর্ষায় নতুন রূপে প্রকৃতি নতুনত্ব পায়। বর্ষার সময় অরণ্যের ফুল ফোটে সর্বত্র মোহিত করে, গাছপালায় নতুন পাতা দেখা যায়। এজন্য বর্ষার সময় অরণ্যের রূপে নতুনত্বের ছোঁয়া দেখা যায়।